বৈঠকের পর চালের দাম এখন স্বাভাবিক Reviewed by Momizat on . শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৫০ কেজি ওজনের চালের বস্তার দাম গত ৩-৪ দিনে ৫০ থেকে ৭৫ টাকা কমেছে। তবে খুচরা বাজারে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছ শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৫০ কেজি ওজনের চালের বস্তার দাম গত ৩-৪ দিনে ৫০ থেকে ৭৫ টাকা কমেছে। তবে খুচরা বাজারে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছ Rating: 0
You Are Here: Home » অর্থনীতি » বৈঠকের পর চালের দাম এখন স্বাভাবিক

বৈঠকের পর চালের দাম এখন স্বাভাবিক

বৈঠকের পর চালের দাম এখন স্বাভাবিক

শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, ৫০ কেজি ওজনের চালের বস্তার দাম গত ৩-৪ দিনে ৫০ থেকে ৭৫ টাকা কমেছে। তবে খুচরা বাজারে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে বাঙালির প্রধান এই খাদ্যশস্য।বছরের শুরুতে সারা দেশে সব ধরনের চালের দাম কেজিতে অন্তত দুই টাকা করে বেড়ে যায়। আর সুগন্ধি চালের দাম বাড়ে কেজিতে ৩ টাকা করে। সে সময় দাম বৃদ্ধির জন্য চালকল মালিকদের দায়ী করেছিলেন ঢাকার চাল ব্যবসায়ীরা।
চাল আসছে ভারত থেকেও এই প্রেক্ষাপটে গত ৭ জানুয়ারি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার তিন দিনের মাথায় চালকল মালিক সমিতি ও চাল ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
চালের বাজারে কোনো অস্থিরতা নেই দাবি করে ওই বৈঠকে চালকল মালিকরা বলেন, মাঝে সাময়িক দাম বৃদ্ধি ছিল ভোটের সময় সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণে।
৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচন ঘিরে সারাদেশে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় পণ্য পরিবহনেও কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া ওই সময় সবাই ভোটের মাঠে ব্যস্ততা থাকায় ধান-চালের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়ে দাম কিছুটা বাড়ে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছিলেন।
চালকল মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মন্ত্রীদের বৈঠকের পরের সপ্তাহেই পাইকারী বাজারে চালের দাম কমল।মাঝে চালের দাম বৃদ্ধির জন্য চালকল মালিকদেরই দায়ী করেছেন পাইকারি ও খুচরা চাল বিক্রেতারা। সরকারের নজরদারির অভাবে মিলাররা ইচ্ছেমতো চালের দাম বাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ করেন তারা।
শুক্রবার প্রতি কেজি মিনিকেট ৫৫ টাকা, নাজিরশাইল ৫৬-৬৫ টাকা এবং আটাশ ৪৩-৪৪ টাকায় বিক্রি করা হয়। তবে পাইকারিতে চালের দাম প্রতি বস্তায় ৫০ টাকা করে কমলেও খুচরায় কমেনি। কারণ ৫০ কেজির বস্তায় ৫০ টাকা কমার পর কেজিতে এক টাকা করে কমিয়ে বিক্রি করলে কোনো লাভই থাকবে না। কেজি কেজি করে বিক্রি করলে ৫০ কেজি চাল পাওয়া যায় না।
বাংলাদেশ অটোমিল অ্যান্ড হাস্কিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক লায়েক আলী বলেন, ‌‘ভোটের পরে চালের চাম যেটুকু বেড়েছিল তা কমে গেছে। চালের দাম এখন স্বাভাবিক। তবে যে হারে ধানের দাম কমছে তাতে কৃষকরা হতাশ’।
খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি গুদামে বর্তমানে ১৪ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুদ আছে। এরমধ্যে ১২ লাখ ৩৮ হাজার টন চাল এবং এক লাখ ৬২ হাজার টন গম।
মজুদ পরিস্থিতির হালনাগাদ তথ্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে এফপিএমইউ বলেছে, ‘মজুদ সন্তোষজনক, মাসিক চাহিদা ও বিতরণ পরিকল্পনার তুলনায় পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। এ মুহূর্তে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই বা ঘাটতির কোনো সম্ভাবনা নেই’।
-তাসনিন জারিন

About The Author

Number of Entries : 2667

Leave a Comment

মুক্তগাছা ভবন, বাড়ি নং -১৩, ব্লক -বি, প্রধান সড়ক, নবোদয় হাউজিং, আদাবর, ঢাকা-১২০৭; সম্পাদক ও প্রকাশক; আলহাজ্ব মোঃ সাদিকুর রহমান বকুল ; জাতীয় দৈনিক আজকের নতুন খবর;

Scroll to top