লবণ উৎপাদনে রেকর্ড Reviewed by Momizat on . ধান চাষীদের ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছেন কক্সবাজারের লবণ চাষীরাও। উৎপাদন বেশি হওয়ায় আনন্দের বদলে কপাল পুড়ছে তাদের। কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোটাখালীর উত্তর ফুলছড়ি গ ধান চাষীদের ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছেন কক্সবাজারের লবণ চাষীরাও। উৎপাদন বেশি হওয়ায় আনন্দের বদলে কপাল পুড়ছে তাদের। কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোটাখালীর উত্তর ফুলছড়ি গ Rating: 0
You Are Here: Home » অর্থনীতি » লবণ উৎপাদনে রেকর্ড

লবণ উৎপাদনে রেকর্ড

লবণ উৎপাদনে রেকর্ড

ধান চাষীদের ভাগ্য বরণ করতে যাচ্ছেন কক্সবাজারের লবণ চাষীরাও। উৎপাদন বেশি হওয়ায় আনন্দের বদলে কপাল পুড়ছে তাদের।
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোটাখালীর উত্তর ফুলছড়ি গ্রামের লবণ চাষী মো. কামাল হোসেন। তিনি এ বছর ১০ কানি (এক কানিতে ৩৯ শতাংশ) জমিতে লবণ চাষ করছেন। ব্যাপক লবণ উৎপাদন হওয়ায় আশায় বুক বেঁধে ছিলেন। ভেবেছিলেন এবার বেশি লাভের টাকা দিয়ে সংসারের কিছু বাড়তি খরচ করবেন। স্ত্রী-সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন। কিন্তু সে আশায় গুড়েবালি।
দাম কমে যাওয়ায় লাভ তো দূরের কথা, খরচ উঠাতে পারবে কিনা তা নিয়েই এখন চিন্তিত তিনি। এখানকার আরেক লবণ চাষী আনিসুর রহমান। তিনি ২০ কানি জমিতে চাষ করেছেন। তারও একই অবস্থা। প্রায় একই রকম তথ্য জানালেন ১০-১২ জন লবণ চাষী। তাদের দাবি, এ চিত্র সব চাষীরই।
তিন মাস আগে মাঠ থেকে যে লবণ বিক্রি হতো প্রতি মণ ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা। তা এখন কমে ১৫০ টাকা হয়েছে। এ অবস্থায় লবণের ন্যায্য দাম পেতে সরকারের সহোযোগিতা চাচ্ছেন তারা। লবণ বোর্ড গঠনের দাবিও উঠে এসেছে তাদের কণ্ঠে। সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) এবং কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি ড. শামসুল আলম যুগান্তরকে বলেন, লবণের চাহিদা সীমিত। মানুষের আয় বাড়লেও দেখা যায় লবণ বেশি খায় না। এজন্য উৎপাদন বাড়লেই চাষীদের দাম হারাতে হয়। সরকারিভাবে যেটি করা প্রয়োজন সেটি হচ্ছে রফতানির সুযোগ থাকলে তার ব্যবস্থা করা দরকার। এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
লবণ চাষী মো. কালু জানান, ৯ কানি জমি লিজ (ভাড়া) নিয়ে তাতে লবণ চাষ করছেন তিনি। এক কানি জমিতে ২৫০ মণ চাষ হয়। এতে খরচ হয় ৪৫ হাজার টাকা। জমি তৈরিতে ২৭ হাজার, মাটিতে পলিথিন বিছাতে সাড়ে দশ হাজার, জমিতে পানি দিতে তিন হাজার টাকা। নিজের শ্রমের মূল্যসহ আরও খরচ আছে। তিনি জানান, একদিকে যেমন অধিক উৎপাদন হওয়ায় দাম কমেছে। অন্যদিকে বর্তমানে বড় বড় কোম্পানিগুলো লবণ কেনা বন্ধ রেখেছে। এই দুই কারণে লবণের চাহিদা নেই বললেই চলে। এখন লবণ বিক্রি করা মানেই লোকসান। স্থানীয় একাধিক চাষী জানিয়েছেন, লবণ শিল্প বাঁচাতে হলে সরকারকে বক্সবাজারে একটা ‘লবণ বোর্ড’ গঠন করতে হবে। জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ১৬ লাখ টন লবণ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদিও উৎপাদন ইতিমধ্যে ১৮ লাখ টন ছাড়িয়েছে, যা ৫৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

About The Author

Number of Entries : 2800

Leave a Comment

মুক্তগাছা ভবন, বাড়ি নং -১৩, ব্লক -বি, প্রধান সড়ক, নবোদয় হাউজিং, আদাবর, ঢাকা-১২০৭; সম্পাদক ও প্রকাশক; আলহাজ্ব মোঃ সাদিকুর রহমান বকুল ; জাতীয় দৈনিক আজকের নতুন খবর;

Scroll to top