বাংলাদেশি পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৩৫ টি দেশে Reviewed by Momizat on . দেশে প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিলো তৈরি পোশাক যা এখন রপ্তানি হচ্ছে না আগের মত। এর প্রভাব পড়েছে পুরো বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের উপর । দেশের প্রধান কর্মসংস্থান তৈরি পোশা দেশে প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিলো তৈরি পোশাক যা এখন রপ্তানি হচ্ছে না আগের মত। এর প্রভাব পড়েছে পুরো বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের উপর । দেশের প্রধান কর্মসংস্থান তৈরি পোশা Rating: 0
You Are Here: Home » অর্থনীতি » বাংলাদেশি পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৩৫ টি দেশে

বাংলাদেশি পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৩৫ টি দেশে

বাংলাদেশি পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে ১৩৫ টি দেশে

দেশে প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিলো তৈরি পোশাক যা এখন রপ্তানি হচ্ছে না আগের মত। এর প্রভাব পড়েছে পুরো বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের উপর । দেশের প্রধান কর্মসংস্থান তৈরি পোশাক বিশ্ব বাজারে মৃদু কাঁপন তৈরি করেছে। চলতি বছরের প্রবৃদ্ধি অর্জনের পথেও রপ্তানি আয় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এরই মধ্যে কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছে দেশের পাট শিল্প। এক মাসের ব্যবধানে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ। রপ্তানিকারকরা বলছেন, কয়েক বছর আগে ভারত পাট আমদানিতে এন্টি ডাম্পিং নীতি আরোপ করায় বাংলাদেশের পাট রপ্তানিতে ধস নেমেছিল। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে বিকল্প বাজারের অনুসন্ধান শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক, নতুন বাজার পাওয়ার কারণে বেড়েছে পাটজাত পণ্য রপ্তানি।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-নভেম্বর পাঁচ মাসে পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৪০৪ দশমিক ৮২ মিলিয়ন ডলার। আগের একই সময়ে পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছিল ৩৫১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার। ৫৩ দশমিক ২৯ মিলিয়ন ডলারআয় বৃদ্ধি পেয়েছে পাঁচ মাসে পাটজাত পণ্য থেকে রপ্তানির মাধ্যমে । অর্থের বিচারে খুব বড় না হলেও পাটজাত পণ্য রপ্তানির অর্থের পুরোটাই দেশে থাকছে, এক সময়ের দেশের প্রধান রপ্তানিজাত পণ্যের নতুন করে এ চাহিদা তৈরি হওয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ জুট মিল এসোসিয়েশন মহাসচিব আ. বারিক মনে করেন ভারত যে এন্টি ডাম্পিং নীতি নিয়েছিল তা বাংলাদেশের জন্য ভালোই হয়েছে, যার কারণে বাংলাদেশ নতুন পাট বাজার খুঁজে পেয়েছে। পাশাপাশি এবার ভারতও বাংলাদেশ থেকে অনেক বেশি পাট নিয়েছে। নতুন খবরকে বলেন, গত বছর পাটের মৌসুমে ভারতে পাটের উৎপাদন অনেক কম ছিলে। এতে সেখানকার পাটকলগুলো চালিয়ে নিতে বাংলাদেশ থেকে পাটের সুতা বা টুয়াইন আমদানি বাড়িয়ে দেয় দেশটি ।

পাটের প্রধান প্রধান বাজার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো। গালিচা বানানোর কাজে সব সময় বাংলাদেশের পাটের সুতা বা টুয়াইন আমদানি করে থাকে ইরান। এছাড়াও বাংলাদেশর পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়ে থাকে আফ্রিকার কয়েকটি দেশে। পাট রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ইরানের প্রতি আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ বিগ্রহ ইত্যাদি কারণে। বাংলাদেশের পাটজাত পণ্যে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া শুরু হচ্ছেসম্প্রতি যুদ্ধ কমে যাওয়ার কারণে। এছাড়া ইরান তৃতীয় দেশের মাধ্যমে পাটজাত পণ্য আমদানি বাড়িয়ে দেয়। এ সব কারণে সাম্প্রতিক সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে। বাংলাদেশ জুট মিল এসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে ১৩৫টি দেশে পাটজাত পণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

নতুনখবর/আমিন

About The Author

Number of Entries : 151

Leave a Comment

মুক্তগাছা ভবন, বাড়ি নং -১৩, ব্লক -বি, প্রধান সড়ক, নবোদয় হাউজিং, আদাবর, ঢাকা-১২০৭; সম্পাদক ও প্রকাশক; আলহাজ্ব মোঃ সাদিকুর রহমান বকুল ; জাতীয় দৈনিক আজকের নতুন খবর;

Scroll to top