বেসরকারি ব্যাংকগুলো কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে , নিজস্ব প্রতিবেদক , নতুন খবর Reviewed by Momizat on . দেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলো কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণে বেশ পিছিয়ে রয়েছে। সরকারি ব্যাংকগুলো যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে সেখানে বেসরকারি ব্যাংক পুরো ঋণ বণ্টন করতে প দেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলো কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণে বেশ পিছিয়ে রয়েছে। সরকারি ব্যাংকগুলো যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে সেখানে বেসরকারি ব্যাংক পুরো ঋণ বণ্টন করতে প Rating: 0
You Are Here: Home » অর্থনীতি » বেসরকারি ব্যাংকগুলো কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে , নিজস্ব প্রতিবেদক , নতুন খবর

বেসরকারি ব্যাংকগুলো কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে , নিজস্ব প্রতিবেদক , নতুন খবর

বেসরকারি ব্যাংকগুলো কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণে পিছিয়ে  , নিজস্ব প্রতিবেদক , নতুন খবর

দেশের বেসরকারি ব্যাংকগুলো কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণে বেশ পিছিয়ে রয়েছে। সরকারি ব্যাংকগুলো যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে সেখানে বেসরকারি ব্যাংক পুরো ঋণ বণ্টন করতে পারেনি, এমনকি কৃষিক্ষেত্রে ঋণ বিতরণ শুরুই করতে পারেনি এমন অনেক ব্যাংকও আছে । খাদ্য নিরাপত্তা ও পল্লী অঞ্চলে দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্যে সব ব্যাংকের মোট বিতরণ করা ঋণের দুই ভাগ কৃষকদের মাঝে বিতরণের লক্ষ্য স্থির করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই হিসাবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুন-ডিসেম্বর ছয়মাসে ১২ হাজার ৬২ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করার কথা। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্যে দেখা যায়, ছয় মাসে মোট কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

দেশি-বিদেশি ৪৬টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের ছয় মাসে কৃষিঋণ বিতরণ করার কথা ছিল ছয় হাজার ৮৭৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা, তারা বিতরণ করেছে পাঁচ হাজার ৩৭২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার ৫০২ কোটি ৩৬ লাখ টাকা বা ২২ শতাংশ কম। তবে সরকারি ব্যাংকগুলো এ ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত আট বাণিজ্যিক ব্যাংক পাঁচ হাজার ১৮৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরণ করেছে পাঁচ হাজার ৪২৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা।

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি কৃষিঋণ বিতরণ করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের বিডিবিএল ও রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, দেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ইস্টার্ন ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া।

বিদেশি হাবিব ব্যাংক ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়াও লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। অপরদিকে একক ব্যাংক হিসেবে বিদেশি দুই বাণিজ্যিক উরি ব্যাংক ও কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন কৃষিঋণ বিতরণ শুরুই করেনি। আর শুরু করলেও নামমাত্র কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংক আল-ফালাহ, সিটি ব্যাংক নতুন ও বিশেষায়িত সীমান্ত ব্যাংক। এসব ব্যাংকের কৃষিঋণ বিতরণের হার এক শতাংশের নিচে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়, কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংক বছর শেষে এসে কোনো এনজিও বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করে। এর ফলে কৃষকের কাছে ঋণ গেলেও তা দেরিতে যায়। এর ফলে কৃষকের সঠিক কাজে লাগে না।

জানা গেছে, দুই শতাংশের নিচে কৃষিঋণ বিতরণে ব্যর্থ হলে ওই ব্যাংককে জরিমানা দিতে হবে। এজন্য কোনো ব্যাংক নিজের শাখার মাধ্যমে বিতরণে ব্যর্থ হলেও অন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আশ্রয় নেয়। এর ফলে প্রতি বছর কৃষিঋণ বিতরণ বাড়ছে। ২০০৯ সালে যেখানে কৃষিঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল নয় হাজার কোটি টাকা, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এ ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

নতুন খবর / এ.এম

About The Author

Number of Entries : 151

Leave a Comment

মুক্তগাছা ভবন, বাড়ি নং -১৩, ব্লক -বি, প্রধান সড়ক, নবোদয় হাউজিং, আদাবর, ঢাকা-১২০৭; সম্পাদক ও প্রকাশক; আলহাজ্ব মোঃ সাদিকুর রহমান বকুল ; জাতীয় দৈনিক আজকের নতুন খবর;

Scroll to top