সময়ের সাথে সাথে ব্যপক ভাবে বড়ছে খেলাপি ঋণ, ডেস্ক রিপোর্ট , নতুন খবর Reviewed by Momizat on . বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে খেলাপি ঋণ কমানোর আশা। নানাবিধ সুবিধা দিয়েও খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে খুব একটা সুবিধা হচ্ছে না, ডিসেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে খেলাপি ঋণ কমানোর আশা। নানাবিধ সুবিধা দিয়েও খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে খুব একটা সুবিধা হচ্ছে না, ডিসেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের Rating: 0
You Are Here: Home » অর্থনীতি » সময়ের সাথে সাথে ব্যপক ভাবে বড়ছে খেলাপি ঋণ, ডেস্ক রিপোর্ট , নতুন খবর

সময়ের সাথে সাথে ব্যপক ভাবে বড়ছে খেলাপি ঋণ, ডেস্ক রিপোর্ট , নতুন খবর

সময়ের সাথে সাথে ব্যপক ভাবে বড়ছে খেলাপি ঋণ, ডেস্ক রিপোর্ট , নতুন খবর

বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে খেলাপি ঋণ কমানোর আশা। নানাবিধ সুবিধা দিয়েও খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে খুব একটা সুবিধা হচ্ছে না, ডিসেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের উপরেই থাকছে। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর পুনঃতফসিলি প্রাথমিক তথ্যে এমন তথ্য মিলছে।

তথ্য অনুযায়ী, দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে খেলাপি গ্রাহকরা পুনঃতফসিলি করেছে ১৮ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা। যা মোট খেলাপি ঋণের ১৬ শতাংশ। দেশে ব্যাংকিং খাতে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ৯ লাখ ৯৬ হাজার ৮৮২ কোটি ২২ লাখ টাকা, এরমধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ এক লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা। যা মোট বিতরণ করা ঋণের ১১ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আর এ ঋণের মধ্যে মন্দ ঋণের পরিমাণ ৯৬ হাজার ৪৬৬ কোটি টাকা।

দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্ট সুবিধার আওতায় খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলি যাই-ই হোক খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের নিচে নামবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি খোলা কাগজকে বলেন, সুদহার না কমার জন্য খেলাপি ঋণ একমাত্র কারণ নয়।

এর সঙ্গে কম সুদে আমানত প্রাপ্তি, নতুন করে ঋণ বিতরণ, পুরনো ঋণ আদায়সহ নানাবিধ কারণ আছে। তবে দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলি করার যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা ব্যবসায়ীরা গ্রহণ করছে বলে আমি আশা করছি।

খেলাপি ঋণের বোঝা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে প্রভিশন সংরক্ষণ ব্যাংকগুলোর আরেক সমস্যা হিসেবে হাজির হয়েছে। খেলাপি ঋণের ধরন ভেদে খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। সাব স্ট্যান্ডার্ড (এসএস), ডাউটফুল (ডিএফ) ও ব্যাড এন্ড লস (বিএল) খেলাপি ঋণ ও ঋণের ধরন ভেদে খেলাপি ঋণের বিপরীতে ২৫ থেকে শতভাগ পর্যন্ত প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়।

এ অর্থ ব্যাংকগুলোর মুনাফা থেকে সংরক্ষণ করতে হয়। এক লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকা খেলাপি ঋণের বিপরীতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ৬০ হাজার ২২৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হচ্ছে, যা ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে বোঝার উপর শাকের আঁটির মতো অবস্থা তৈরি করেছে।

ব্যবসায়ীদের পরামর্শ ও নানাদিক পর্যালোচনার করার পর দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পাশাপাশি নিয়মিত করা ওই ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ নয় শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত দুই শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলি করার সুযোগ রয়েছে।

২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরাতন খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলিকরণ হয়েছে ১৮ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকা। নতুন পুরাতন মিলে পুনঃতফসিলিকরণকৃত ঋণের পরিমাণ প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ ১৬ হাজার ২৮৮ কোটি টাকার মধ্যে খেলাপি ঋণের মধ্যে ১৮ হাজার ৫৮৪ কোটি টাকায় পুনঃতফসিলি করার পর খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৯৭ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারের লক্ষ্য অর্জন খুব একটা সহজ হবে না বলে মনে করেন ব্যাংক খাত সংশ্লিষ্টরা।

About The Author

Number of Entries : 383

Leave a Comment

মুক্তগাছা ভবন, বাড়ি নং -১৩, ব্লক -বি, প্রধান সড়ক, নবোদয় হাউজিং, আদাবর, ঢাকা-১২০৭; সম্পাদক ও প্রকাশক; আলহাজ্ব মোঃ সাদিকুর রহমান বকুল ; জাতীয় দৈনিক আজকের নতুন খবর;

Scroll to top